এরপর মেয়েটিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী উয়ারুক গ্রামের লুতু মিয়ার ছেলে নিহাদ ইসলামের সাথে তার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নিহাদ তাকে শারীরিকভাবে ব্যবহার করে আসছিলো। এক পর্যায়ে মেয়েটি তাকে বিবাহের জন্যে চাপ দিলে নিহাদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখে। কিছুদিন পূর্বে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নিহাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা মেয়ে এবং তার পরিবারের নিকট থেকে জোরপূর্বক একটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়।
প্রভাবশালী নিহাদের পরিবারের ভয়ে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। বিষয়টি শাহরাস্তি থানার নজরে আসলে থানা পুলিশ মেয়েটির পরিবারকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। পুলিশের আশ্বাস পেয়ে মেয়েটির মা আছমা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার (২৭ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে সাবেক প্রেমিক নিহাদ কে আটক করে পুলিশ।
মামলার বাদী আছমা বেগম জানান, তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়াও তারা হুমকি-ধমকি দেয়ার কারণে সে ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি। আছিয়া বেগম অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, প্রধান আসামি গ্রেফতার হয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের আটক করা হবে। ভুক্তভোগীকে মেডিক্যাল চেকআপের জন্যে পাঠানো হয়েছে।