1. themebikroy@gmail.com : জননী টিভি নিউজ ২৪ : জননী টিভি নিউজ ২৪
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন

৬ বছরেও শেষ হয়নি ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত বিষারা সেতুর কাজ,

প্রতিনিধি চাঁদপুর জেলা মোঃ রবিউল আলম (রবি)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত

৬ বছরেও শেষ হয়নি ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত বিষারা সেতুর কাজ,

মোঃ রবিউল আলম রবি

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত বিষারা – নবাবপুর সেতুর কাজ ৬ বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।

ধীর গতিতে চলতে থাকা সেতুটির মূল কাজ সম্পন্ন হলেও অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ আটকে আছে জমি অধিগ্রহণের জন্য।

জানাগেছে জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই মূল সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। সম্প্রতি সময়ে অ্যাপ্রোচ সড়কের বরাদ্দ দেয়া হলেও স্থানীয় জনগণের আপত্তির মুখে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

জানাগেছে ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর সেতুটির নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০২০ সালের ২৩ জুলাই ৮১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব গ্রহণ করে সুরমা এন্টারপ্রাইজ। মূল সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা।

সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অজুহাতে কাজের গতি কমিয়ে দেয়। বর্তমানে মূল সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে থাকলেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অ্যাপ্রোচ সড়ক।

দ্বিতীয় দফায় এবছরের ২১ জানুয়ারি অ্যাপ্রোচ সড়কের দরপত্র আহ্বান করা হলে সুন্দরবন এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পায়। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটির পশ্চিম অংশে অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ করতে গেলে স্থানীয় জনগণের আপত্তির মুখে ফিরে আসতে হয়। বিষারা পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি আলী আজম জানান, অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই মূল সেতুর দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

বিগত সরকারের আমলে সেতুটি নির্মাণের জন্য স্থানীয় জনগণের সাথে কোন প্রকার আলোচনা করা হয়নি। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন করা হয়েছে। জানাগেছে এলাকাবাসী ইতিমধ্যে ১৩ টি খতিয়ান প্রশাসনের কাছে জামা দিয়েছে। কিন্তু এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি।

স্থানীয় মজিবুর হকের মেয়ে সুফিয়া বেগম জানান, পারিবারিক ভাবে তিনি দু’শতক সম্পত্তি পেয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। জমির ক্ষতিপূরণ না পেলে মেয়েদের নিয়ে পথে বসতে হবে তাকে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. মইনুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব নিয়েছে কিন্তু জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। আমরা স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি এবং প্রকল্প পরিচালককে অবহিত করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই কেন সেতুটির দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করে সেতুটি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা উচিত ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে রয়েছ। প্রকল্প পরিচালককে সাথে কথা বলেছেন। স্থানীয়দের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম