চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় জনতার হাতে আটক এক কথিত মাদক কারবারির মোবাইল ফোন ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, আটক ব্যক্তি মিজানুর রহমানের মোবাইলে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথোপকথন, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত ভয়েস ক্লিপ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকটি অডিওতে বিকাশে টাকা পাঠানো ও মাসোহারা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা শোনা যায়।
মঙ্গলবার সকালে আয়নাতলী এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। পরে ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসায় জড়িত না থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমা চাইলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের আরও দাবি, আটক ব্যক্তি নিজেই নিয়মিত মাসোহারা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং তার ৪১ জন নিয়মিত ক্রেতা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন। তবে এসব দাবির স্বাধীন সত্যতা এখনো যাচাই করা যায়নি।
এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর জানান, এর আগেও ওই ব্যক্তিকে আটক করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
অন্যদিকে শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তার জানা আছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মোবাইল ফোনে পাওয়া কথোপকথন, চ্যাট, ভয়েস ক্লিপ ও অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনো যাচাই করা যায়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।