মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে পরিচয়, সেখান থেকেই প্রেম—এরপর ২২ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই মাত্র ১৩ বছর বয়সে মা হয় এক কিশোরী। কিন্তু সুখের সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। পারিবারিক কলহের জেরে বিচ্ছেদ ঘটে, আর মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায় তার শিশুসন্তান।
পরে আদালতের দ্বারস্থ হন ওই কিশোরী। আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে তিনি ফিরে পান নিজের সন্তানকে।
এই ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্ক, শিশুবিবাহ এবং অল্প বয়সে মাতৃত্ব একটি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তাদের মতে, পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও সচেতন ভূমিকা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে এমন ঘটনা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।