চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের বেহাল দশা।
জরাজীর্ণ ভবনের দেয়াল চুইয়ে বৃষ্টির পানি অফিসকক্ষে পড়ায় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, সরকারি নথি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে।
একই সঙ্গে অফিসসংলগ্ন টয়লেটের দুর্গন্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাভাবিকভাবে কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
রোববার অফিস চলাকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাওয়া ফাইল ও কাগজপত্র অফিসের সামনের খোলা জায়গায় নিয়ে রোদে শুকাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অফিসকক্ষের দেয়ালে শেওলা জমে আছে এবং বিভিন্ন স্থানে পানি চুইয়ে পড়ার চিহ্ন রয়েছে। আলমিরায় রাখা কাগজপত্রও আর্দ্রতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কার্যালয়টিতে একজন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, একজন সহকারী কর্মকর্তা ও একজন এমএলএসএসসহ মোট তিনজন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিদিন সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা, উপকারভোগীদের সেবা প্রদান ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণের কাজ এখান থেকেই করা হয়। তবে ভবনের এমন অবস্থায় অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, বৃষ্টির সময় দেয়াল চুইয়ে অফিসের ভেতরে পানি পড়ে। এতে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ফাইল নষ্ট হচ্ছে। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কাগজপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের টয়লেটের দুর্গন্ধের কারণে অফিসে বসে কাজ করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, নতুন ভবন হলে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সেখানে স্থানান্তর করা হবে। তখন এ সমস্যার সমাধান হবে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, নতুন ভবন নির্মাণ বা কার্যালয় স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে ছাদ দেয়াল ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সংস্কার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র নিরাপদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করলে ভবিষ্যতে আরও মূল্যবান নথি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।