সুমন বিপ্লবের সম্পাদিত
আগমনী ম্যাগাজিন নিয়ে
আমার কিছু কথা
-সৌমেন মন্ডল

ড. মঞ্জুশ্রী একাডেমি, খুলনা শাখার হাত ধরে ডুমুরিয়ার সাহিত্যিক পললভূমিতে যাত্রা শুরু করছে নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা ‘আগমনী’ (বর্ষাবরণ সংখ্যা)। এই উদ্বোধনী মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে পত্রিকাটির প্রতিটি লেখা, ভাবনা ও দর্শনকে একটি সুতোয় গেঁথে সামগ্রিক মূল্যায়নের প্রয়াস হিসেবে আমার এই মূল প্রবন্ধ নিবেদন করছি।
১. প্রেক্ষাপট ও আত্মপ্রকাশের দর্শন: কেন ‘আগমনী’?
পত্রিকার প্রারম্ভেই প্রধান উপদেষ্টা ফারুক আলম এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক এ. এম. কামরুল ইসলাম সাহিত্যের মূল সুরটিকে স্পষ্ট করেছেন। সাহিত্য মানুষের হৃদয়ের অপ্রকাশিত নীরব কথা বলে দেয় এবং মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।
সম্পাদক সুমন বিপ্লব তাঁর সম্পাদকীয়তে আজকের সমাজবাস্তবতার এক নির্মম সত্য তুলে ধরেছেন—যেখানে শিক্ষা স্রেফ সনদে সীমাবদ্ধ, আর পাঠক বিমুখতায় বইয়ের পাতাগুলো আজ নির্জন। তিনি ১৮-১৯ শতকের বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল থেকে শুরু করে জসীমউদ্দীনের মতো মনীষীদের সাহিত্যচর্চার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এই অবক্ষয়ের সময়ে সুকুমার বৃত্তিগুলোকে জাগিয়ে তুলে অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সুস্থ সাহিত্যচর্চার প্রত্যয় নিয়েই ‘আগমনী’র জন্ম। উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. অরূপ রতন চৌধুরী স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কীভাবে ১৯৯৫ সালে সিলেটের বিশ্বনাথে গড়ে ওঠা ‘ড. মঞ্জুশ্রী একাডেমি’ আজ খুলনার ডুমুরিয়ায় নতুন ডালপালা মেলে এই পত্রিকার রূপ পরিগ্রহ করেছে।
২. কবিতার ক্যানভাস: দ্রোহ, প্রকৃতি ও মানবতা
‘আগমনী’র কাব্যসম্ভার বৈচিত্র্যে ভরপুর। এখানে যেমন বর্ষার রূপ আছে, তেমনি আছে সমাজ ও বিশ্ব রাজনীতির প্রতি তীব্র চাবুক:
* প্রকৃতি ও বর্ষার রূপ: কবি সুজন দাশের ‘আষাঢ় মাসের বৃষ্টি’ এবং শিক্ষার্থী রোদেলা রহমান রিতির ‘বৃষ্টি’ কবিতায় গ্রামবাংলার চিরায়ত কদম ফ