এক জাগরণী পদক্ষেপ
সায়নী আহমেদ শ্রুতি
জাতি গঠনে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা হল শিক্ষা। শিক্ষা একটি মানুষকে পরিপূর্ণ মনুষ্যত্ব লাভে সাহায্য করে। তাই হয়তো নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, “শিক্ষা হলো পৃথিবীকে পরিবর্তন করার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।”
প্রকৃত শিক্ষা মানুষের অন্তরাত্মার মুক্তি ঘটায়। কিন্তু এই প্রকৃত শিক্ষা কোনো সহজলভ্য বস্তু নয়, যা হাটে-বাজারে কড়ি দরে কিনতে পাওয়া যাবে। প্রকৃত শিক্ষা এক তপস্যাসাধ্য বিষয়। ঋষি-মনীষীদের ন্যায় ধ্যান, সাধনা ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে তা অর্জন করতে হয়। আর এই জ্ঞানসাধনার পবিত্রতম আশ্রয়স্থল হল লাইব্রেরি।
মানবজাতি জ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করতে এবং প্রকৃত মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যে এই জ্ঞানের স্বর্গে পদার্পণ করে। কিন্তু আজকের এই মূর্খ সমাজ মেতে উঠেছে অর্থলালসে। প্রকৃত শিক্ষা-জ্ঞান আজ তাদের কাছে নিতান্তই উপেক্ষার বিষয়,যা তারা ভুলতে বসেছে। তারা আজ উন্মত্ত লালসার দুর্গ গড়তে বন্দি। যেন তারা আজ অর্থের তৃষ্ণাতে। জ্ঞানের আলোর কি ই বা প্রয়োজন তোদের
ঠিক এমনই সংকটময় কালে, শিক্ষার আলো যখন নিভু নিভু, কবি সুমন বিপ্লব এক জাগরণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি তার প্রিয় জন্মভূমি শাহপুর গ্রামে, তার পিতা-মাতার স্মরণে এবং শিক্ষার আলোকে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত করেন আকবর-লুৎফা লাইব্রেরি।
ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুর একটি ছোট্ট গ্রাম, যেখানে এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো লাইব্রেরি হয়ে ওঠেনি। ২০২৩ সালে তিনি লাইব্রেরিটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।
হয়তো এটি কোনো বিশ্ববিখ্যাত লাইব্রেরি নয়। কিন্তু শিক্ষার গুরুত্বের রক্ষার সংগ্রামে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ , যা একটি গ্রামের মানুষকে উৎসাহিত করছে বই পড়তে ও জ্ঞানের আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে।
তাই আমাদের সকলেরই উচিত, এই ভাবেই ছোট ছোট পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষাকে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। নয়তোবা কালেরক্রমে আমরাও পরিণত হবো একটি অজ্ঞতার শিকলে বন্দি জাতিতে, যারা অর্থপ্রাচুর্যে সমৃদ্ধ হলেও জ্ঞানের দারিদ্র্যে নিঃস্ব এক জাতি।
একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা হল শিক্ষা। শিক্ষা একটি মানুষকে পরিপূর্ণ মনুষ্যত্ব লাভে সাহায্য করে। তাই হয়তো নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, “শিক্ষা হলো পৃথিবীকে পরিবর্তন করার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।”
প্রকৃত শিক্ষা মানুষের অন্তরাত্মার মুক্তি ঘটায়। কিন্তু এই প্রকৃত শিক্ষা কোনো সহজলভ্য বস্তু নয়, যা হাটে-বাজারে কড়ি দরে কিনতে পাওয়া যাবে। প্রকৃত শিক্ষা এক তপস্যাসাধ্য বিষয়। ঋষি-মনীষীদের ন্যায় ধ্যান, সাধনা ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে তা অর্জন করতে হয়। আর এই জ্ঞানসাধনার পবিত্রতম আশ্রয়স্থল হল লাইব্রেরি।
মানবজাতি জ্ঞানের পরিধিকে প্রসারিত করতে এবং প্রকৃত মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্যে এই জ্ঞানের স্বর্গে পদার্পণ করে। কিন্তু আজকের এই মূর্খ সমাজ মেতে উঠেছে অর্থলালসে। প্রকৃত শিক্ষা-জ্ঞান আজ তাদের কাছে নিতান্তই উপেক্ষার বিষয়,যা তারা ভুলতে বসেছে। তারা আজ উন্মত্ত লালসার দুর্গ গড়তে বন্দি। যেন তারা আজ অর্থের তৃষ্ণাতে। জ্ঞানের আলোর কি ই বা প্রয়োজন তোদের
ঠিক এমনই সংকটময় কালে, শিক্ষার আলো যখন নিভু নিভু, কবি সুমন বিপ্লব এক জাগরণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি তার প্রিয় জন্মভূমি শাহপুর গ্রামে, তার পিতা-মাতার স্মরণে এবং শিক্ষার আলোকে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত করেন আকবর-লুৎফা লাইব্রেরি।
ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুর একটি ছোট্ট গ্রাম, যেখানে এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো লাইব্রেরি হয়ে ওঠেনি। ২০২৩ সালে তিনি লাইব্রেরিটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।
হয়তো এটি কোনো বিশ্ববিখ্যাত লাইব্রেরি নয়। কিন্তু শিক্ষার গুরুত্বের রক্ষার সংগ্রামে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ , যা একটি গ্রামের মানুষকে উৎসাহিত করছে বই পড়তে ও জ্ঞানের আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে।
তাই আমাদের সকলেরই উচিত, এই ভাবেই ছোট ছোট পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রকৃত শিক্ষাকে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। নয়তোবা কালেরক্রমে আমরাও পরিণত হবো একটি অজ্ঞতার শিকলে বন্দি জাতিতে, যারা অর্থপ্রাচুর্যে সমৃদ্ধ হলেও জ্ঞানের দারিদ্র্যে নিঃস্ব এক জাতি।
সায়নী আহমেদ শ্রুতি
পরিচালক
আকবর লুৎফা পাঠাগার
শাহ্পুর, ডুমুরিয়া, খুলনা