লুনা শামসুদ্দোহা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে শ্রেষ্ঠতমা
সুমন বিপ্লব

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নারীদের পদচারণা আমাদের দেশে খুব বেশি নয়। এর মধ্যেই সবার জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় এমন সংখ্যাটা হাতেগোনা। তাদের মধ্যে আলোকিত নাম লুনা শামসুদ্দোহা। বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে তিনি গ্লোবাল ভয়েস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে উদ্যোক্তা হিসেবে তার রয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা। দু জন কর্মী আর দুটি কম্পিউটার নিয়ে ১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু করা দোহাটেকে এখন কাজ করছেন দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা সাড়ে তিনশ’রও বেশি কর্মী যাদের অধিকাংশই কম্পিউটার প্রকৌশলী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবসাসহ নানা কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যার ও ই-গভ, সল্যুশন্সসহ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অংশ হতে হালনাগাদ তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে দোহাটেক। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব ডাটা সেন্টার।

আর সেই সময়ের ক্ষুদ্র দোহাটেক আজকের বৃহত্তর আন্তর্জাতিক আইটি কোম্পানির স্বীকৃতি পেয়েছে মূলত লুনা শামসুদ্দোহার বিচক্ষণতা আর নেতৃত্বে। দুই পাশে চারতলার বেশি নয়, এমন দুটি বিল্ডিং। মাঝখানে বেশ খানিকটা জায়গাজুড়ে উঠান। ভবনের ছাদে উঁকি দিচ্ছে নারকেল ও সজনে গাছে। চারপাশে সবুজে ঘেরা। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। রাজধানীর পল্টনে দোহাটেকের ছায়াঘেরা-মায়াঘেরা অফিসের ভেতরে ঢুকতেই চোখটা জুড়িয়ে যায়। এটাই দোহাটেকের প্রধান কার্যালয়। রাজধানীতে আরও কয়েকটি অফিস রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। দেশের বাইরেও রয়েছে তাদের কার্যালয়। লুনা শামসুদ্দোহার কাছে জানতে চাওয়া হয় দোহাটেকের শুরুর কথা। তিনি গল্পে গল্পে আমাদের নিয়ে যান ঢাকার আশির দশকে। বরাবরই ইংরেজিতে ভালো ছাত্রী ছিলেন তিনি। আর এই ইংরেজি জানাটাই তার জীবনে সাফল্যের গল্প হয়ে ধরা দেয়। ব্রিটিশ কাউন্সিলে পড়িয়েছেন চার-পাঁচ বছর। ব্রিটিশ কাউন্সিলে পড়ানোর সময়ই বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কন্টেন্ট ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত হন তিনি। কম্পিউটার ভিত্তিক ডাটা প্রসেসিং, প্রতিবেদন ও প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরীসহ তিনি নানা কাজে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন। আর এই কাজের সূত্র ধরেই ১৯৮৫ সালে প্রথম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দি এক্সিকিউটিভ সেন্টার (TEC) চালু করেন তিনি। দি এক্সিকিউটিভ সেন্টার বাংলাদেশে দায়িত্বরত আন্তর্জাতিক এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে পরিচিত নাম হয়ে ওঠে। দেশের বাইরে থেকেও কার্যাদেশ পেতে থাকেন তিনি। ওই সময় এক্সিকিউটিভ সেন্টারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কলম্বোর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্সে অংশগ্রহনেরও আমন্ত্রণ পান।

লুনা শামসুদ্দোহা বলেন, ব্রিটিশ কাউন্সিলে পড়ানোর সময় বাংলা থেকে ইংরেজি কন্টেন্ট তৈরির কাজ আসছিল। মূলত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাজের মাধ্যমেই ব্যবসায় হাতে খড়ি তার। কাজের পরিধি বাড়লে তিনি একে একে নারীদের তার প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করেন। তিনি বলেন, বিদেশি অনেকে বিশ্বব্যাংক, ইউ এন ডিপিতে কাজের সুবাদে পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন। ওইসব কর্মকর্তাদের স্ত্রীরা এমনিতেই বসে থাকতেন, কৌশলে তাদের কাউকে কাউকে নিজের প্রজেক্টে যুক্ত করলেন লুনা শামসুদ্দোহা। কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজটিতে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেন তিনি। তবে উদ্যোক্তা হওয়ার স্পৃহা আরও আগে থেকেই পেয়েছেন তিনি। দাদা-বাবা-চাচারা ব্যবসা করতেন। তার বাবা লুৎফুর রহমান স্যাম বেইলিং নামের প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে দেশের অন্যতম শীর্ষ পাট রপ্তানী ব্যবসায়ী। ব্যবসার প্রয়োজনেই ইংল্যান্ডে বাসা নিয়ে থাকতেন তিনি। অবচেতন মনেই হয়তো ব্যবসার ভূতটা বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন। তবে লুনা শামসুদ্দোহার ব্যবসার বাঁকবদল ঘটে ১৯৯২ সালে। এর আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় ব্যবসায়ী শামসুদ্দোহার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মূলত স্বামী এ কে এম শামসুদ্দোহার উৎসাহ এবং বিনিয়োগে দোহাটেক নিউ মিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানের ‘দোহাটেক’ নামের মাঝে লুকিয়ে আছে তাদের পারিবারিক বন্ধন। স্বামী শামসুদ্দোহার ডাক নাম দোহা। যেহেতু তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন শামসুদ্দোহা, এজন্য Doha এবং তার নিজের প্রথম ব্যবসায়িক উদ্যোগ The Executive Centre (TEC)-এর নাম যুক্ত করে নতুন ভেঞ্চার দোহাটেক (Dohatec) যাত্রা শুরু করে। লুনা শামসুদ্দোহা বলেন, বিদ্যুৎ নেই, ইন্টারনেট নেই, অবকাঠামো নেই। আবার একটা কম্পিউটারের ট্যাক্সই ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা। ফলে ওই সময় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসা আক্ষরিক অর্থেই খুব কঠিন ছিল। পাশাপাশি একমাত্র কন্যা সন্তান রিমের জন্মও হলো একই সময়ে। সব মিলিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসার জন্য সর্বোচ্চ প্রতিকূল অবস্থায় ছিলেন তিনি। তবে অন্য ধাতুতে গড়া লুনা শামসুদ্দোহা সেই কঠিনেরেই ভালোবেসেছিলেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, তখন মেয়ে খুবই ছোট। নতুন কোম্পানি হিসেবে দাঁড় করানোর চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে চ্যালেঞ্জকে চ্যালেঞ্জ মনে করিনি। আমি সুযোগ হিসেবে নিয়েছি। চ্যালেঞ্জ না নিলে হয়তো ঘরে বসে থাকতে হতো।

এসবের মধ্যে আমি নারী না পুরুষ, এটা ভাবার সময় ছিল না। কৌতূহলী মানসিকতা, দৃঢ়প্রত্যয় ও ঝুঁকি গ্রহণের অদম্য সাহসই তাকে আজকের এই সফল অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
শুরুরদিকে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডাটা (তথ্য-উপাত্ত) অ্যানালাইজিং (পরীক্ষা-নিরীক্ষা), সামারাইজিং (সারাংশ তৈরি), রিপোর্ট মেকিং ইত্যাদি সেবা দিতে শুরু করেন। বর্তমানে তার কোম্পানি বিভিন্ন দেশ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মান, সুইজারল্যান্ড, ভুটান এবং বাংলাদেশ ও বিভিন্ন বেসরকারি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যেমন- বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউএস পোস্টাল সার্ভিস, বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে ইনডিপেন্ডেন্ট সফটওয়্যার ভেন্ডর (আই এস ভি) এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর হিসেবে কাজ করছে।

দোহাটেক দেশের ই-জিপি বাস্তবায়নের পুরো কাজটিই করছে। ইতিমধ্যে ই-জিপিতে সাড়ে তিন লাখ টেন্ডার কমপ্লিট হয়েছে। দেশের পর ভুটান এবং নেপালে ই-জিপি নিয়ে কাজ করছে দোহাটেক। একটা আমেরিকান কোম্পানির সঙ্গে রাজউকে ই-পারমিট কাজ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। কাজের মধ্যেই ডুবে থাকতে ভালোবাসেন তিনি। আর এজন্যই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্বের স্বীকৃতিহিসেবে মাইক্রোসফট, আইসিটি, ওয়ার্ল্ড ওমেন লিডারশিপ কংগ্রেস, ওয়ার্ল্ড অ্যাসেমব্লি ফর ওমেন, ইউরোপিয়ান ওমেন ইনভেন্টর অ্যান্ড ইনোভেটরস নেটওয়ার্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

একমাত্র মেয়ে রিম শামসুদ্দোহা মায়ের পথেই হাঁটছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ডহাম ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক পাস করে ‘যেতে চাও’ নামের নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তিনি। মা লুনা শামসুদ্দোহাও চান মেয়ে তার যোগ্যতায় নিজের পথ নিজেই তৈরি করুক। মেয়ের কথা শুনতে শুনতেই জানতে চাওয়া হয় তার মায়ের কথা কেমন ছিলেন তিনি? মা হাসিনা খাতুনের কথা বলতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন লুনা শামসুদ্দোহা। তার মা যে অনেক শিক্ষিত ছিলেন তা নয়; ছিলেন প্রখর বুদ্ধির সৃজনশীল একজন নারী। ৫ সন্তানকে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলেছেন তিনি। ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয় লুনা শামসুদ্দোহা আত্মনির্ভরশীল এবং আত্মমর্যাদাবান হওয়ার দীক্ষাটা মায়ের কাছ থেকেই পেয়েছেন। মায়ের কথার অনুরণিত হয় লুনা শামসুদ্দোহার কণ্ঠে, তিনি বলেন, মা বলতেন, তোমার বাবার অনেক কিছু আছে। গাড়িতে চলাফেরা করছ এটা মাথায় রেখ না। তুমি নিজে কী, তোমার নিজের কী- সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা লুনা শামসুদ্দোহা নিজের সক্ষমতা নিজে তৈরির পাশাপাশি সক্ষমতার বিকাশ ঘটানোর কৌশলটি ছোট থেকেই মায়ের কাছ থেকে শিখেছেন। মায়ের কথা বলতে বলতে তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে শৈশব-কৈশোরের সোনালি দিনগুলো। নানা-নানি-মামা-খালা-মামাতো ভাই-বোন নিয়ে যৌথ জীবনে হৈ হৈ রৈ রৈ পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন তিনি। নতুন প্রজন্মের অদেখা ও অনেকের কাছেই অজানা এক অন্য রকম ঢাকা শহরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা তার। শৈশবের গান-নাচ-আড্ডার দিনগুলোয় যেন ফিরে আসে লুনা শামসুদ্দোহার স্মৃতির পাতায়। তিনি আমাদের সোনাঝরা দিনগুলোর কথা বলতে থাকেন। ঢাকায় জন্ম। শৈশব-কৈশোর কেটেছে মতিঝিলের আরামবাগে। কী খোলামেলা ছিল আরামবাগ! এখনকার আরামবাগ যেন দীর্ঘশ্বাসের সমান ঘন! ভিকারুননিসা স্কুলে শিক্ষাজীবনের গোড়াপত্তন হওয়া লুনা শামসুদ্দোহা এস এস সি পাস করেন সেখান থেকেই।

লুনা শামসুদ্দোহার নানা মামাদের কথা বাদ দিলে একটা অধ্যায়ই বাদ পড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আসবে, নানা কবি গোলাম মোস্তফা ও মামা প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মুস্তফা মনোয়ারের কথা। গ্রাফিক্স-অ্যানিমেশনে ডাবল অস্কার জয়ী নাফিস বিন জাফর তার ভাগ্নে। ফলে লুনা শামসুদ্দোহার মধ্যে শিল্পীসুলভ মনন থাকবে না তা কি হয়! তার নানি তৎকালীন সময়ে ইংরেজি ও ফার্সি ভাষা জানতেন। শিক্ষিত ও বনেদি পরিবারে বেড়ে ওঠা লুনা শামসুদ্দোহা স্বনির্ভরশীল, আত্মমর্যাদাশীল হওয়ার প্রেরণা ও দীক্ষা পেয়েছেন পরিবার থেকেই। শৈশব থেকেই নানা রকম খেলাধুলার প্রতি ঝোঁক ছিল তার। ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন থেকে শুরু করে কার রেসিংয়ের প্রতি আগ্রহ তার ভেতরের স্বাধীনচেতা ও শৈল্পিক মননকেই উজ্জ্বল করে তোলে।

মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময় খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তার মামা ছিলেন গেরিলা দলেরই সদস্য। বড় ভাই এবং মামা প্রায় সমবয়সী হওয়ায় মুক্তি সংগ্রামের সময়ের তাদের নানা উদ্যোগ লুনা শামসুদ্দোহার চুক্ষুগোচর হয়। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তারা কী করছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত কখনও মামা কিংবা বড় ভাই কখনও বলত না। কেন বলত না তখন না বুঝলেও এখন বুঝি, গেরিলাদের সব কিছু শেয়ার করতে নেই। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা চালায়, তখন আমাদের বাসা ছিল অদূরেই। আগুন আর গোলাগুলিতে আমরা খুব আতঙ্কে ছিলাম- এই বুঝি গুলি এসে লাগবে। জীবন-মৃত্যু যেন পাশাপাশি অবস্থান করছিল। ভয়ংকর সে রাতের কথা এই জাতি কখনও ভুলবে না, আমরাতো নাই-ই। ওই রাতে বাসা ত্যাগ করে আমরা পাশের অন্য একটা বাড়িতে উঠি। এরপর আমরা বাসা ছেড়ে ধানমন্ডির দিকে আত্মীয়ের বাসায় উঠি। অন্যদের মতো মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকা খুব কাছ থেকে দেখেছি। এই দিনগুলো কখনো ভুলব না। মুক্তিযুদ্ধেও সেই দিনগুলো যদি আগামী প্রজন্ম সঠিকভাবে জানতে পারে, তবে দেশের সঙ্গে কোনোদিন প্রতারণা করবে না। নিজের প্রাণ দিয়ে দেশের সম্মান রক্ষা করবে। এজন্য মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোকে আরও বেশি করে তরুণদের মাঝে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান তিনি। নিজের জানাশোনা জ্ঞান এবং স্পৃহা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন তিনি। নতুন প্রজন্মের জন্য তিনি বলেন, নারীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা হওয়া কঠিন। তবে আগ্রহ এবং স্পৃহা থাকলেও সেটি অসম্ভব নয়। তাই সবকিছু জেনেশুনে এবং বুঝে এই সেক্টরে আসতে হবে। আউটসোর্সিংয়ের নামে সস্তা কাজে তরুণদের সম্পৃক্ত হতে নিরুৎসাহিত করেন তিনি। বরং প্রোগ্রামিংসহ তথ্যপ্রযুক্তির উচ্চতর ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে জোর দেন তিনি। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে ভালো করতে ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমির মধ্যেও সমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন লুনা শামসুদ্দোহা।

সুমন বিপ্লব
লাইব্রেরিয়ান ও সমাজ কল্যাণ অফিসার
সোনামুখ হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি গ্রন্থাগার
আন্দুলিয়া,শাহপুর ডুমুরিয়া খুলনা
মোবাইলঃ ০১৩১৫-৬৫৬১২৫